
হৈমন্তী গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় ‘সবুজপত্র’ নামের মাসিক পত্রিকায়, সালটি ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ। তৎকালীন সমাজের এক অতি পরিচিত চিত্র অঙ্কিত এই কাহিনীতে। শিক্ষিতা নম্র বধূ হৈমন্তী যার একমাত্র দোষ তার পিতা ধনী নন। মাতৃহীনা এই কন্যার এক মাত্র ত্রুটি সে কপটতা জানে না, নিজের বয়স গোপন করতে মিথ্যা বলতে পারে না, যার একমাত্র স্পর্ধা সে তার পিতার অপমান সহ্য় করতে পারে না। তাই অবিরাম তার উপর চলে মানসিক অত্যাচার, যার ফল স্বরূপ রৌদ্রজ্জ্বল হৈমন্তী হয় ভোরের করুণ হাসিমাখা শিশিরের মতই ক্ষণস্থায়ী।
এ কাহিনী এক শতক আগের হলেও আজকের সমজে একটু চোখ মেলে তাকালেই চোখে পড়ে আজকের হৈমন্তীদের। তাই সেদিনের গল্প আজও অতি প্রাসঙ্গিক।
#গল্পের কথকতার আজকের নিবেদন #রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের #হৈমন্তী।
কথক ও ডাক্তার : অনিমেষ
হৈমন্তী, আবহ : সুপর্ণা
গৌরীশঙ্কর : সাগ্নিক
বাবা : দেবাঙ্কুর
মা : টিনা
বনমালী বাবু : তুষার
দিদিমা ও প্রবীণা : শ্রেয়া
জনৈকা : দীপান্বিতা
অন্যান্য : অমৃতা