
অধ্যায় ১২ খ্রীষ্টের দ্বারা মুক্তি
ধর্ম বা ধর্মের শিক্ষকেরা মানুষকে কিছু নিয়ম শেখায় যাতে ইহকালে আর পরকালে সুখী হওয়ার জন্য সেগুলো তারা পালন করে। ওসব নিয়ম মেনে চলার জন্য ধর্ম-শিক্ষকদের বশে থাকতে তারা লোকেদের উৎসাহ দেয়। কিন্তু পৃথিবীর সমস্ত মানুষই ঈশ্বরের বিষয় জানে। তবুও তারা ঈশ্বরকে মেনে চলে না বা মেনে চলতেও চায় না। তারা নিজেদের ইচ্ছা মতো জীবন যাপন করে। ঈশ্বরের বিরোধিতা করতে ভালোবাসে। চিন্তায় ও কাজে সব সময় পাপ করে চলে। কারণ মানুষ পাপের দাস হয়ে গেছে। আর তাই পাপ থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেও মানুষ তা পারে না। এই অসহায় পাপী মানুষকে নরকের শাস্তি থেকে কে বাঁচাবে? মানুষের অতিরিক্ত লাম্পট্য আর পাপের জন্য ঈশ্বর নিজেই যীশু খ্রীষ্টকে পাঠিয়েছিলেন যাতে যীশু মানুষের হয়ে তাদের বদলে মানুষের পাপ নিয়ে যান। যীশু খ্রীষ্ট ক্রুশের ওপর এ কাজ করেছিলেন। মানুষের পাপ নিজের শরীরে বয়ে তিনি ঈশ্বরের ঘৃণা ও ক্রোধের শিকার হয়েছিলেন। মানুষের পাপের জন্য তাঁকে মানুষের অবজ্ঞা ও বিদ্রুপ সহ্য করতে হয়েছিল। এখন আর পাপের কোনও সমস্যা নেই। ঈশ্বর পাপী মানুষকে ধার্মিক বলে গণ্য করেন। ঈশ্বর চান আমরা যেন এসব সরল ভাবে বিশ্বাস করি আর এ নিয়ে খুশী থাকি। ঈশ্বর কথা দিয়েছেন, যারা যীশু খ্রীষ্টে বিশ্বাস করে এবং যীশু খ্রীষ্টের মৃত্যুর কারণে মানুষের পাপের ক্ষমা হয়েছে বলে স্বীকার করে, ঈশ্বর তাদের পবিত্র আত্মা দেবেন। তারা নতুন মানুষ হয়ে উঠবে। তাদের হৃদয় নতুন হয়ে উঠবে। এটাই হল সুসমাচার অর্থাৎ সুখবর। এই অধ্যায়ের বিষয়বস্তুই এটা যা যীশু খ্রীষ্টের শিষ্য পৌলের লেখা চিঠি থেকে নেওয়া হয়েছে।